বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং ও বেটিং দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন ক্রিকেট, ফুটবল বা ক্যাসিনো গেমে অংশ নিচ্ছেন। বেশিরভাগই আনন্দের জন্য খেলেন এবং সুস্থভাবেই উপভোগ করেন। কিন্তু একটি ছোট অংশের ক্ষেত্রে গেমিং সমস্যায় পরিণত হতে পারে – আর সেটা রোধ করতেই bjevip দায়িত্বশীল গেমিংকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।
দায়িত্বশীল খেলা মানে শুধু কম খেলা নয়। এর মানে হলো নিজের সামর্থ্য বুঝে খেলা, হারানোর ক্ষমতা মাথায় রেখে বাজেট করা এবং গেমিংকে জীবনের অন্য দিকগুলোর চেয়ে বড় না হতে দেওয়া। যিনি মাসে ৫০০ টাকা বরাদ্দ রেখে সেই সীমায় থেকে খেলেন, তিনি যতটুকুই জিতুন বা হারুন – তিনি দায়িত্বশীল গেমার।
বাজেট করুন, প্রতিবার
প্রতি মাসে গেমিংয়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ আলাদা রাখুন – ঠিক যেভাবে বিনোদনের জন্য সিনেমা বা রেস্টুরেন্টের বাজেট করেন। এই বরাদ্দ শেষ হলে সেই মাসের গেমিং শেষ। সংসারের বা জরুরি প্রয়োজনের অর্থ কখনো গেমিংয়ে ব্যবহার করবেন না। bjevip-এর ডিপোজিট লিমিট টুল এই কাজটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে করে দেয় – একবার সীমা নির্ধারণ করলে সেটা ছাড়া বেশি ডিপোজিট করা যাবে না।
হারানোর পিছু ছোটা বন্ধ করুন
সবচেয়ে বিপজ্জনক মানসিকতা হলো "এবার জিতলে সব পুষিয়ে যাবে।" বেটিং এবং ক্যাসিনো গেমে প্রতিটি রাউন্ড সম্পূর্ণ স্বাধীন – আগে হেরেছেন বলে পরে জেতার সম্ভাবনা বেশি নয়। এই সত্যটা মাথায় রাখলে হারানোর পর আরো বেশি খরচ করার প্রবণতা কমে।
পরিবার ও প্রিয়জনদের জানান
গেমিং নিয়ে লুকোচুরি করা সমস্যার একটি বড় লক্ষণ। বিশ্বস্ত কাউকে জানান আপনি কতটুকু খেলছেন। তাদের মতামত শুনুন। যদি প্রিয়জনরা উদ্বিগ্ন হন, সেটাকে হালকাভাবে নেবেন না – তারা বাইরে থেকে বিষয়টা আরো স্পষ্ট দেখতে পান।
নিজেকে জিজ্ঞেস করুন
মাঝে মাঝে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন: গেমিং কি এখনো আনন্দের? নাকি এটা এখন একটা বাধ্যবাধকতা হয়ে গেছে? যদি গেমিং না করলে মন খারাপ লাগে বা শুধু গেমিংয়ের কথাই মাথায় ঘুরে, তাহলে সেটা আসক্তির প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।
bjevip-এর দায়িত্বশীল গেমিং টিম সবসময় প্রস্তুত। সমস্যা ছোট হোক বা বড়, support@bjevip.net-এ লিখুন বা লাইভ চ্যাটে আসুন। আমরা বিচার করব না, সাহায্য করব।